• May 7, 2021, 12:31 am
  • [gtranslate]
Headline
গোয়ালন্দে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর মাঝে পুলিশের ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঝিনাইদহে দুই ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে জরিমানা ঝিনাইদহে ৫’শ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ কালীগঞ্জে বেঁদে পল্লীর ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বাড়ি ফিরছে মানুষ দৌলতদিয়ায় ঘাটে উপচে পড়া ভীর উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি রাজবাড়ীতে গত ২৪ ঘন্টায় ১৬জন করোনা আক্রান্ত রাজবাড়ীতে ফল দোকান ও গ্যাসের দোকানে মোবাইল কোর্টের অভিযান প্রায় ২শ বছরের ঐতিহ্য বহন করছে রাজবাড়ীর বড় মসজিদ পাংশায় র‌্যাবের অভিযান : ৫৯০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী মজনু গ্রেপ্তার চুরি হওয়ার পর বালিয়াকান্দির স্লুইস গেট বাজার জামে মসজিদে কোরআন শরীফ প্রদান

এক, দুই করে ২২ বছরে পা দিলো চ্যানেল আই

Reporter Name 391 Time View
Update : বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১, ২০২০

সামনে এগিয়ে চলার এই যাত্রায় চ্যানেল আই এবার বিশেষ একটি উপহার পেয়েছে। চ্যানেল আই’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশের প্রধান সকল সংবাদপত্রে যে ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হয়েছে তাতে একটি বিশেষ নিবন্ধ লিখে চ্যানেল আইকে কৃতজ্ঞ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চ্যানেল আই পরিবারের পক্ষ থেকেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

চ্যানেল আই’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

করোনা মহামারীর এ সময়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহসটা আরও বেশি দরকার। বাংলাদেশের মানুষের সেই সাহসটা ছিল এবং আছে। এ সাহসের কারণেই করোনার কামড়ের পরও বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। নতুন সেই যুদ্ধে সাহসের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছে চ্যানেল আই।

এভাবে গত দুই দশকে ১লা অক্টোবর তারিখটি বাংলাভাষী মানুষের মনের ক্যালেন্ডারে একটি উৎসবের দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে চ্যানেল আই’র জন্য মানুষের অন্তহীন ভালোবাসার কারণে। এবার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কিন্তু ভয়ঙ্কর এক ভাইরাসের কারণে উৎসবের সেই সম্মিলনী থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি, কিন্তু মানুষ যে শেষ পর্যন্ত অজেয় তার প্রমাণ হিসেবে প্রায় অনেকটা ঘরবন্দি জীবনের এ সময়ে এবারও জন্মদিনের উৎসব আয়োজন থাকছে যদিও সেটা শুধুই চ্যানেল আই’র পর্দায়।

চ্যানেল আই’র ২২ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে প্রকাশিত ক্রোড়পত্রের জন্য ‘পত্রিকা পড়ার গল্প’ শিরোনামে বিশেষ নিবন্ধটি লিখেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেখানে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘‘আব্বা একদিন বললেন: “বলতো? কে কোন খবরটা বেশি মন দিয়ে পড়?”

‘‘আমরা খুব হকচকিয়ে গেলাম। কেউ কোন কথা বলতে পারি না। আমি, কামাল, জামাল, খোকা কাকা, জেনী সকলেই সেখানে। এমনকি ছোট্ট রাসেলও আমাদের সাথে। তবে সে পড়ে না, কাগজ কেড়ে নেওয়ার জন্য ব্যস্ত থাকে।

আমরা কিছু বলতে পারছি না দেখে আব্বা নিজেই বলে দিলেন- কে কোন খবরটা নিয়ে আমরা বেশি আগ্রহী। আমরা তো হতবাক। আব্বা এত খেয়াল করেন! মা সংবাদপত্রের ভিতরের ছোট ছোট খবরগুলি, বিশেষ করে সামাজিক বিষয়গুলি, বেশি পড়তেন। আর কোথায় কী ঘটনা ঘটছে তা-ও দেখতেন। কামাল স্পোর্টসের খবর বেশি দেখতো। জামালও মোটামুটি তাই। আমি সাহিত্যের পাতা, আর সিনেমার সংবাদ নিয়ে ব্যস্ত হতাম। এভাবে একেকজনের একেক দিকে আগ্রহ।’’

শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাণীতে বলেছেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে চ্যানেল আই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে বিভিন্ন অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করে আসছে। বিশেষ করে কৃষি উন্নয়ন তথা গ্রামনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অগ্রযাত্রায় ‘চ্যানেল আই’ এর প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়।

এছাড়া পরিবেশ ও প্রকৃতির সংরক্ষণ ও উন্নয়নেও চ্যানেলটি কাজ করে যাচ্ছে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, নির্মল বিনোদন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান প্রচারের পাশাপাশি দেশে-বিদেশে বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশে চ্যানেল আই অব্যাহত প্রয়াস চালিয়ে যাবে- এ প্রত্যাশা করছি।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ তার শুভেচ্ছা বাণীতে বলেছেন, দায়বদ্ধতার ভেতর থেকে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রচারে চানেল আই এর উৎকর্ষের স্বাক্ষর অক্ষুণ্ন থাকুক।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক ও প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান সভাপতি শামসুজ্জামান খান বলেন, চ্যানেল আই সেই ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারকে আন্তরিকতার সঙ্গে ধারণ করার প্রয়াসী হয়েছে। বাংলা, বাঙালিত্ব, রবীন্দ্র-নজরুলের সৃজনী সম্ভার এবং বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথাকে অবিচল নিষ্ঠায় বিশ্বাসে অন্তর্বিবেচনায় প্রচার শীর্ষে রেখে বাংলার লোকজীবন ও লোক সংস্কৃতিকে বাঙালির জাতিসত্তার আত্মা ভেবে চ্যানেল আই তার প্রচারে সদা প্রয়াসী।

তিনি বলেন, চ্যানেল আই আসলে সংস্কৃতি ও বাঙালির যাপিত জীবনে এক নন্দিত আলেখ্যেরই মূর্ত প্রকাশ। বাংলাদেশের অন্য কোনো চ্যানেলে আই সাংস্কৃতিক জীবনধারার ভিত্তিতে টেলিভিশন উপস্থাপনা বিন্যস্ত নয়।

প্রতিষ্ঠার ২২ বছর উপলক্ষে চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, ‘মানুষ সেই প্রাণী যে জানে জীবন মানে অবশ্যই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া। একই সঙ্গে বেঁচে থাকার আনন্দ উপভোগ করাটাও সবচেয়ে বড় অর্জনের বিষয়।’

‘‘এই আনন্দের জন্য, বিশুদ্ধ আনন্দের জন্য যুদ্ধ করছে চ্যানেল আই। যত প্রতিকূলতাই আসুক, সময় যত কুয়াশাচ্ছন্নই হোক সদা সর্বদা আপনাদের সাথে নিয়ে বলব, সামনে এগিয়ে যাই। আমাদের এই বিশেষ ক্রোড়পত্রের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পত্রিকা ও মিডিয়ার সঙ্গে তার ও তার পরিবারের সম্পর্ক উল্লেখ করে একটি দীর্ঘ লেখা দিয়েছেন। তার জন্য আমাদের নিরন্তর শুভ ও কল্যাণ কামনা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা।’’

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শুভেচ্ছা বার্তায় চ্যানেল আই’র পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ বলেন, ‘‘ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড প্রতিষ্ঠার সময় আমাদের লক্ষ্য ছিল সেরা কন্টেন্ট তৈরির। সেখানে আমরা অবিচল ছিলাম। এখনও আছি। আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধ, বস্তুনিষ্ঠ ও সুস্থ তথ্যপ্রবাহনির্ভর সংবাদ, সুস্থ বিনোদন, গণতন্ত্র ও সুস্থ ধারার রাজনীতি চর্চা, দেশের উন্নয়ন অর্থনীতির শেকড় কৃষি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, আমাদের প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীবনবোধের জায়গাগুলো দর্শকদের সামনে তুলে ধরছি। এগুলোই প্রাত্যহিক জীবনধারার সবচেয়ে শক্তিশালী উপজীব্য হিসেবে ধরা দিচ্ছে।

আজ বাইশ বছরে পৌঁছে একজন তরুণ আগামীর পৃথিবীটা যেভাবে দেখতে চাইছে, আমরাও নতুন পৃথিবীর পথে সাফল্য ও উৎকর্ষের ধারায় এগিয়ে যাচ্ছি।

বলছি, বাইশে চ্যানেল আই, সামনে এগিয়ে যাই। এবারের জন্মদিনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার গণমাধ্যম চিন্তা আমাদের এই ক্রোড়পত্রের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তার প্রতি সর্বোচ্চ কৃতজ্ঞতা। কৃতজ্ঞতা দেশ বিদেশের সকল দর্শক শুভানুধ্যায়ী ও পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি।’’

ভালোবাসার মানুষদের সরাসরি এবার চ্যানেল আই স্বাগত জানাতে পারছে না, কিন্তু শুভেচ্ছার কোনো কমতি নেই। নানা মাধ্যমে সেই আগের আমলের মতো চিঠিতে, ই-মেইলে এবং এখনকার এ সময়ে ডিজিটাল যতো মাধ্যম আছে তার সবগুলোতেই মানুষ আমাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং জানাচ্ছেন। তাদের শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসায় আমরা আপ্লুত।

মানুষের সমর্থন এবং সাহসে আমরা আরও এগিয়ে যাবো, সেই প্রতিজ্ঞা আমাদের আছে। যতো প্রতিকূলতাই আসুক, সময় যতো কুয়াশাচ্ছন্নই হোক- চ্যানেল আই সদা সর্বদা বলবো, সামনে এগিয়ে যাই।

কঠিন একটি সময়ে আমরা চ্যানেল আই’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করছে। কিন্তু, করোনাভাইরাসের অন্ধকার কাটতে শুরু করেছে এবং আলোর পথে আমাদের পথচলা চলছে। বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে, আমরা এগিয়ে চলেছি, সগৌরবে আমরা বলতে পারছি: ২২-এ চ্যানেল আই, সামনে এগিয়ে যাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

সর্বশেষ সংবাদ

error: Sorry buddy! You can\'t copy our content :) Content is protected !!