বেশির ভাগ সংসারই ভাঙ্গছে ৩ বছরের মধ্যে বালিয়াকান্দিতে এক মাসেই অর্ধশতাধিক বিবাহ বিচ্ছেদ

146

সোহেল রানা ঃ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই অর্ধশতাধিক বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। বেশির ভাগই বিয়ের ৩ বছরের মধ্যে এ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে।
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে গত ডিসেম্বর মাসেই অর্ধশতাধিক বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ইসলামপুর ইউনিয়নে ৭জন, নবাবপুর ইউনিয়নে ৭জন, বহরপুর ইউনিয়নে ৩জন, নারুয়া ইউনিয়নে ৬জন, বালিয়াকান্দি ইউনিয়নে ৪জন ও জামালপুর ইউনিয়নে ১জনসহ মোট ২৭টি বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। শুধু মাত্র এ বিবাহ বিচ্ছেদের কাগজ ইউনিয়ন পরিষদে এসেছে। এছাড়াও পারিবারিক ভাবেও অনেক বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে।
কয়েকজন ডিবোসী নারীর সাথে কথা বলে জানাগেছে, বিয়ের কিছুদিন ভালো চলে। এরপর নতুন সংসারে মানিয়ে তুলতে সমস্যার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় শাশুড়ীরা পুত্রবধু হিসেবে দেখার কারণে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। তবে মেয়ে হিসেবে দেখলে এ সমস্যা হয় না। আবার অনেকে সময় স্বামী বিদেশ থাকার কারণে মোবাইল ব্যবহার করায় সন্দেহের বশতঃ ভাঙ্গছে সংসার। তবে বেশির ভাগই কোন প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই ভুলবুঝাবুঝির কারণে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে।
নারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ডিসেম্বর মাসে ৭টি ইউনিয়নে ২৭টি বিবাহ বিচ্ছেদের কাগজ ( তালাকনামা) এসেছে। এ ভাবে প্রতিমাসেই আনুপাতিক হারে তালামনামা আসছে। এদের বেশির ভাগ বিচ্ছেদের ঘটনা বিয়ের ৩ বছরের মধ্যে ঘটছে।
নারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মাষ্টার বলেন, আমরা প্রতিটি ডিবোসের ঘটনা নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে মিমাংসার চেষ্টা করি। অনেক সংসার পুনরায় হলেও বেশির ভাগই দু,পক্ষ বিচ্ছেদের পক্ষে অবস্থান করায় বিচ্ছেদ বাড়ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সামান্য কিছু ইউনিয়ন পরিষদে আসে। বাকী সবই দু,পক্ষ গ্রাম্য ভাবে বা আদালতের মাধ্যমে বিচ্ছেদ ঘটছে। তবে এ বিষয়ে উভয়পক্ষের নমনীয় হলে বিচ্ছেদ হ্রাস পাবে।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here