মুজিব বর্ষে হিসাব রক্ষণ অফিসের উদ্যোগ হয়রানীমুক্ত সেবা প্রদানে বালিয়াকান্দিতে ঘরে বসেই মোবাইলে পাচ্ছেন ৬২১জন পেনশন সুবিধা

78

সোহেল রানা ঃ “ মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার ইএফটি পাবে পেনশনার ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে হয়রানীমুক্ত সেবা প্রদান করতে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের উদ্যোগে ঘরে বসেই মোবাইলে সেবা পাচ্ছেন ৬২১জন পেশনার। ইতিমধ্যেই সেবা পেতে শুরু করেছে পেনশনাররা। এ উদ্যোগকে পেনশনাররা সাধুবাদ জানিয়েছেন।
পেনশন গ্রহিতা ও সাবেক উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা বীরমুক্তিযোদ্ধা খায়রুল বাশার খান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা ও সজিব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনায় আজ আমরা পেনশনাররা ঘরে বসেই মোবাইলে সেবা পাচ্ছি। এ মাস থেকে এ সেবা চালু হয়েছে। এতে আর আমাদের উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে ঘুরতে হবে না।
উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সদর উদ্দিন শেখ জানান, বালিয়াকান্দি উপজেলায় ৬২১জন পেনশনার রয়েছে। এরমধ্যে ৬০৪জনকে মোবাইল সেবার আওতায় আনা হয়েছে। ১৭জন এখনো বাকী আছে। আগামী মাসে শতভাগ পেনশনার মোবাইল সেবা পাবে। এদেরকে আর অফিসে আসতে হবে না। ঘরে বসেই মোবাইলে ম্যাসেজ পাবেন। প্রত্যেককে একটি করে মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট থাকবে। এতে করে বৃদ্ধ পেনশনাররা তাদের নিকটতম লোক দিয়ে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। ইতিমধ্যে সরকারী গ্যাজেটেড কর্মকর্তারা মোবাইল ম্যাসেজের মাধ্যমে বেতন পাচ্ছেন। আগামী এপিল মাসের মধ্যে নন গ্যাজেটেড কর্মকর্তারাও মোবাইলের মাধ্যমে বেতন পাবেন। এছাড়াও জিপি ফান্ড ঘরে বসেই অনলাইনে দেখতে পাবেন।
তিনি আরো বলেন, প্রায় ৫শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মোবাইল সেবার আওতায় আনতে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামী মার্চ মাস থেকে শিক্ষকদের মোবাইলে বেতন কার্যক্রম শুরু হবে। সেবাকে হয়রানীমুক্ত ও দ্বোরগোড়ায় পৌছে দিতে এ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রত্যেকটি সরকারী অফিসে ডিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তার বেতন দাখিল করবেন। তিনি হিসাব রক্ষণ অফিসে দাখিল করবেন। এরপর মোবাইলে ম্যাসেজ পাবেন এবং ব্যাংক থেকে তুলে নিতে পারবেন। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে এ উদ্যোগ গ্রহণ করায় সেবা গ্রহিতারা হয়রানীমুক্ত সেবা পাবেন। জনসচেতনতার জন্য ইতিমধ্যেই মাইকিং করা, বিভিন্ন স্থানে ব্যানার স্থাপনসহ ব্যাপক প্রচার প্রচারনা চালানো হচ্ছে।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here