তুহিন মাষ্টার আটক : অতপর বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে মুক্তি…..

1457

মাসুদ রেজা শিশির : রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের বিশই সাওরাইল গ্রামে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর বাড়ীতে গিয়ে অসামাজিক কার্যকালাপের দায়ে স্থানীয় জনতার হাতে ধৃত হয়েছে পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের দড়ি বাংলাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তুহিন মোল্লা। শিক্ষক তুহিন মোল্লা গাংধাইর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সামসু মোল্লার ছেলে। এ ঘটনায় তুহিন মোল্লাকে স্থানীয়রা কালুখালী থানা পুলিশের নিকট সোপদ করে। পরে উভয় পরিবারের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে ওই শিক্ষককে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
জানাগেছে, শিক্ষক তুহিন মোল্লার ঘরে স্ত্রী সন্তান থাকার পরও পাশ^বর্তী এলাকার এক মেয়েকে নানা ভাবে ফুসলিয়ে প্রেমের ফাদেঁ ফেলে তার সাথে শারীরিক সর্ম্পক স্থাপন করে। পরে তারা আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করে, তবে বিয়ে করে নিজ বাড়ীতে ২য় স্ত্রীকে উঠতে পারেনি ওই শিক্ষক। চলতি বছরের জানুয়ারী মাসের প্রথম দিকে আদালতে বিয়ে করেন এই শিক্ষক পরবর্তীতে বিয়ের ১৭ দিনের মাথায় ২য় স্ত্রীকে তালাক দেয় ওই শিক্ষক তুহিন। সে সময় স্থানীয়রা গ্রাম্য শালিসে ওই শিক্ষক তুহিন মোল্লাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করে। এ ঘটনার কিছুদিন পরেই ওই শিক্ষক পূনরায় আবারও বিভিন্ন প্রকার লোভ লালসা দেখিয়ে তার সাথে আবার প্রেম ভালবাসা গড়ে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে জনৈক জাহাঙ্গীর নামে একজনের বাসায় ২-৩ দিন অবস্থান করাসহ বিভিন্ন এলাকার আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতেও তারা স্বামী -স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে অবস্থান করতে থাকে। ওই তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর পরিবার জানান, শিক্ষক তুহিন মোল্লাকে সাথে পুনরায় যোগাযোগ এবং তাদের বাড়ীতে না আসার জন্য কড়া ভাষায় বলে দেয়। এর পরও শিক্ষক তুহিন মোল্লা ঐ বাড়ীর আশপাশে গিয়ে ঘোরাা ঘুরি করতে থাকে। গত ৬ জুন বিকালে শিক্ষক তুহিন মোল্লা ওই তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর বাড়ীতে গিয়ে অসামাজিক কাজ করার উদ্দ্যোশে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে। পরে কালুখালী থানা পুলিশকে এ বিষয়টা অবগত করে। পরে কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান নেতৃত্বে কালুখালী থানা পুলিশ ও বি-কয়া ক্যাম্প ইনচার্জ আব্দুল কাদের সংঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ওইদিন সন্ধ্যা রাতে ওই বাড়ী থেকে শিক্ষক তুহিন মোল্লাকে আটক করে সেই সাথে তুহিন মোল্লার কথিত স্ত্রীকে কালুখালী থানায় নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য মোঃ সিরাজুল জানান, ২দিনের মধ্যে শিক্ষক তুহিনকে পূনরায় বিয়ে করবে এই আশ্বাসে থানা হতে ছাড় পেয়েছে। তবে সর্বশেষে এ ব্যাপারে কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান উভয় পক্ষের অভিভাবক বসে সমঝোতার কথা বলে থানা হতে ছেলে মেয়েকে স্ব-স্ব বাড়ীতে নিয়ে গিয়েছে। এ ব্যাপারে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে ওই শিক্ষক তুহিন মোল্লা ও তার পিতা সামসু মোল্লার সাথে কথা বলার চেষ্ঠা করা হলে তুহিন মোল্লার ফোন বন্ধ ও সামসু মোল্লা ফোন রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। এদিকে এ সংবাদ লেখা কালীন পূনরায় ওই শিক্ষকের বিয়ে করার কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়টি নিয়ে ওই এলাকায় চ্পাা উত্তেজনা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here