• মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালুখালীর চরাঞ্চলে জুয়ায় হেরে স্ত্রী-কন্যাকে হত্যা : মেম্বরের ভাষ্য কালীর দোষ ! গোয়ালন্দে হাতেনাতে মোটরসাইকেল চোর আটক রাজবাড়ীতে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের উল্লাস বাংলাদেশ নিউট্রিশন অ্যাক্টিভিটি মধুখালীতে ওয়াশ বিষয়ক কর্মশালা ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা সেনেটারি প্যাডের ভেন্ডিং মেশিন উদ্ভাবন বালিয়াকান্দিতে ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ বালিয়াকান্দিতে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের অবহিতকরণ সভা বালিয়াকান্দিতে পুলিশ পরিচয়ে অপহরণ করে চাঁদাবাজিকালে গ্রেফতার ৩ জন গুড়ি গু‌ড়ি বৃ‌ষ্টি‌তে রাজবাড়ী‌তে বিপর্যস্থ জনজীবন, দৌলত‌দিয়ায় যানবাহ‌নের সা‌রি বঙ্গবন্ধু সারাজীবন গঠনমূলক রাজনীতি করেছেন: ড. কলিমউল্লাহ  

স্কুল বন্ধ, তাই বাবাকে সহযোগিতা করছি!

প্রতিবেদকঃ / ১১২ পোস্ট সময়
সর্বশেষ আপডেট রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার :
স্কুল বন্ধ। তাই সময় মত পড়তে হয় না। স্কুলে যেতে হয় না। শিক্ষকের বকুনি খেতে হয় না। বাবা-মায়ের বকুনিও খেতে হয়। ঘরে বসে সময়ও কাঁটে না। তাই বাবাকে সহযোগিতা করার জন্য প্রতিদিন দোকানে আসি। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দোকানে বসি। বাবা রাতে দোকান চালায়। এভাবে আমাদের সংসার চলে। কথাগুলো বললেন, রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলা দৌলতদিয়া মডেল হাই স্কুলের ৭ম শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে সামির খান।
সামির খান আরো বলেন, আমাদের ৭জনের সংসার। বাবার একার আয়ে চলে না। তারপর লকডাউনের কারণে দোকান বন্ধ রাখতে হয়। যে কারণে এখন আমি বেশি সময় দোকানে থাকি। পুলিশ আসলে বন্ধ করে অন্য জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকি। চলে গেলে আবার এসে দোকান করি। এভাবেই চলছে লকডাউনের পর থেকে। সামির বলেন, যখন লকডাউন ছিল না আমি সারাদিন দোকানে বসতাম। বাবা রাতে বসতো। আমি প্রতিদিন দোকানে বসলে বাবার খুব উপকার হয়। প্রতিদিন দোকানে বসলে তোমার পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যাবে এমন কথায় হাসি মুখে সামির বলেন, গরীবের আবার পড়ালেখা। শিশু সামিরের সাথে কথা বলার সময় চলে আসে তার বাবা বাবলু খান।
বাবলু খান এর প্রশ্ন করার পূর্বেই তিনি বলেন, বাড়ীতে বসে কি করবে? তার চেয়ে ভাল ছোট থাকতে ব্যবসা করুক। যাতে বড় হলে এই দোকান করে খেতে পারে। তিনি বলেন, লকডাউনের কারণে মানুষের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিদিন ৪/৫শত টাকা আয় করলেও এখন ১/২শত টাকা আয় করতে পারি না। এই টাকা দিয়ে আমার ৭জনের সংসার চালাতে হয়। তিনি কাঁন্না জরীত কণ্ঠে বলেন, বাবার আমলে ৭৫ বিঘা আবাদি জমি ছিল। আমার চাচা এলাকার মেম্বার ও মামা চেয়ারম্যান ছিল। নদী ভাঙনের কারণে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। এখন পরিবার পরিজন এই এই দোকানের আয়ের উপর চলতে হয়। তিনি আরো বলেন, বিয়ে করার আগ পর্যন্ত কাজ করে খেতে হয়নি। এখন আমার শিশু বাচ্চা দিয়ে দোকান চালাতে হয়। এটা আমাদের ভাগ্য ছিল।

দৌলতদিয়া মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহিদুল ইসলাম এর কাছে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রোমণ রোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ রয়েছে। যে কারণে ছাত্রছাত্রীদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে বলার সুযোগ নাই। তিনি আরো বলেন, নদী ভাঙন এলাকা। এই এলাকায় কাজ না থাকলে বাস্তবতার কারণে বেশি ভাগ ছেলেরা কাজে প্রবেশ করে। মেয়েদের বাল্য বিয়ে হয়ে যায়। তবে আমাদের জানিয়ে কেউ শিশু শ্রম ও বাল্য বিয়ে দেয় না। আমাদের জানার বাইলে এরকম কাজ অনেক হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
খান মোহাম্মদ জহুরুল হক

সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ
রাজবাড়ী প্রেসক্লাব ভবন (নীচ তলা),
কক্ষ নং-৩, রাজবাড়ী-৭৭০০।

Contact us: editor@dailyrajbarikantha.com

প্রকাশনাঃ
সম্পাদক কর্তৃক বি এস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়নবী সার্কুলার রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত এবং দক্ষিণ ভবাণীপুর, রাজবাড়ী থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল- ০১৭১১১৫৪৩৯৬,
বার্তা বিভাগ- ০১৭৫২০৪০৭২০,
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯৭১১৫৪৩৯৬

error: Sorry buddy! You can\'t copy our content :) Content is protected !!