• বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ১০:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভোটারদের বিশ্বাসে যেন চিড় না ধরে : প্রধানমন্ত্রী রাজবাড়ীতে আইনজীবীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত প্রণোদনার ৭ লক্ষ টাকা বিতরণ বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে রাজবাড়ীর যুবক নিহত পাংশায় অস্ত্র-গুলি,গাঁজা ও ইয়াবাসহ ২ জন গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে স্কুল ভিত্তিক দাবা প্রতিযোগিতা উদ্বোধন রাজবাড়ীতে ট্রাক চালকের স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সুদে কারবারী বাদশা গ্রেপ্তার গোয়ালন্দ থেকে ফেন্সিডিলসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার গোয়ালন্দের পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার রাজবাড়ী বাজারে ভোক্তার অভিযানে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা এবারের ঈদ যাত্রায় দৌলতদিয়ায় থাকছে না কোন ভোগান্তি

বন্যার প্রেক্ষাপটে পদ্মা সেতু আশীর্বাদ : প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদকঃ / ১১ পোস্ট সময়
সর্বশেষ আপডেট সোমবার, ২০ জুন, ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেছেন, পদ্মা সেতুটি বন্যার এই প্রেক্ষাপটে সহজ যোগাযোগে জাতির জন্য একটি আশীর্বাদ হবে, কারণ সরকার এটি ২৫ জুন উদ্বোধন করতে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ২৫ জুন পদ্মা সেতু আমরা উদ্বোধন করবো ইনশাআল্লাহ! এই উদ্বোধনের পরে এটাও আল্লাহর একটা আশীর্বাদ হবে। কেননা দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগটা আমরা অব্যাহত রাখতে পারবো।
রোববার প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ের (পিএমও) শাপলা হলে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনা ক্রীড়াবিদদের মাঝে সম্মাননার চেক বিতরণকালে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৫ জুন বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু উদ্বোধনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমি মনে করি, পদ্মা সেতু এমন একটা সময় উদ্বোধন করতে যাচ্ছি সে সময় বন্যা শুরু হয়ে গেছে এবং এই বন্যা কিন্তু দক্ষিণাঞ্চলেও যাবে।
তিনি বলেন, সে সময় পণ্য পরিবহন, বন্যা মোকাবিলা, বন্যার সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সহযোগিতার একটা বিরাট সুযোগ আমাদের আসবে। বন্যার্তদের রিলিফ দেওয়া থেকে ওষুধ সরবরাহ এবং খাদ্য সরবরাহের বিষয়টি আরও সহজতর হবে।
‘৮৮ সালের বন্যায় গোপালগঞ্জে আটকা পড়ার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তখন এ রকম পদ্মা সেতু থাকলে সহজেই চলে আসা সম্ভব হতো। ’৯৮ সালে বাংলাদেশের সব থেকে ভয়াবহ এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ঠিক সেই বন্যার আগেই আমরা যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু উদ্বোধন করেছিলাম। সেটা করেছিলাম বলেই উত্তরবঙ্গ থেকে পণ্য পরিবহনসহ সব কাজের সুবিধা হয়।’
সরকার প্রধান বলেন, বন্যায় নদীগুলো আরও ভয়ংকর হয়ে উঠলে প্লাবিত দক্ষিণাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার সরকার উত্তরাঞ্চল থেকে সুবিধাটা পায়। ফলে বন্যা সফলভাবে মোকাবিলা সম্ভব হয়।
ওই সময় বিবিসি, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রচার ছিল- সে বন্যায় প্রায় দুই কোটি লোক না খেতে পেয়ে মারা যাবে। কিন্তু তার সরকার বলেছিল, ‘একজন মানুষকেও তার সরকার না খেয়ে মরতে দেবে না’ এবং সেটা সম্ভব হয়েছিল। এই কাজে সেই সেতুটা তখন বিরাট কাজে এসেছিল- বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুনামগঞ্জ থেকে আজ পানি নামতে শুরু করেছে। কিন্তু এই পানি যখন নামবে, তখন আমাদের অন্যান্য অঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করবে- এটাই প্রাকৃতিক নিয়ম। কাজেই আমাদের ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগেও যে বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে, সেটি আগে থেকেই সতর্ক করে দিচ্ছি। বন্যা মোকাবিলায় আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। পানি নিষ্কাশনের জন্য যা যা করণীয় আমরা সেটাও করে যাচ্ছি।
বন্যার কারণে এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বন্যার কারণে এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। আর এটা প্রকৃতির খেলা, এটা নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে, সেইসঙ্গে মানুষের জীবনও চালাতে হবে।
‘বন্যা তো আমাদের চিরাচরিত’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, কিছুদিন পরপর, বিশেষ করে ১০ থেকে ১২ বছর পর এত বড় বন্যা বাংলাদেশে আসে সবসময়। আমি সবাইকে অনেক আগে থেকেই সতর্ক করেছিলাম। এবারের বন্যাটা কিন্তু বিরাট আকারে আসবে। আমাদের প্রস্তুতি আছে। এই পানি নামলে শ্রাবণ থেকে ভাদ্র পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চল প্লাবিত হবে। এই সময়ে মানুষের যেন কষ্ট না হয়, আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি।

খেলাধুলাকে এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে দেশে বিশ্বমানের ক্রীড়াবিদ তৈরিতে তার সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্যাও আমরা মোকাবিলা করবো এবং খেলাধুলাও আমাদের চলবে, সবই আমাদের চলবে। এটাই আমাদের জীবন এটাকেই মেনে নিতে হবে।
এটাই বাস্তব এবং বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়েই আমাদের চলতে হবে এবং বিশ্ব সভায় আমরা মাথা উঁচু করেই চলবো- উল্লেখ করেন তিনি। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাফ-২০২১ চ্যাম্পিয়ন নারী অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ফুটবল দলের ৩৩ জন সদস্যসহ মোট ৮৮ জন ক্রীড়াবিদকে আর্থিক সম্মাননা দেওয়া হয়।
অন্য ৫৫ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে মুজিববর্ষ ফিফা আন্তর্জাতিক ফুটবল সিরিজ ২০২০-এর ৩৩ জন এবং বঙ্গবন্ধু-৪ জাতি ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২২-এর বিজয়ী ২২ জন খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সাফ-২০২১ চ্যাম্পিয়ন নারী অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন মারিয়া মান্দা, খেলোয়াড় মনিকা চাকমা এবং প্রধান প্রশিক্ষক গোলাম রব্বানী ছোটন, বাংলাদেশ শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন ফয়সাল খান এবং বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন জামাল ভূঁইয়ার হাতে আর্থিক সম্মানীর চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
খান মোহাম্মদ জহুরুল হক

সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ
রাজবাড়ী প্রেসক্লাব ভবন (নীচ তলা),
কক্ষ নং-৩, রাজবাড়ী-৭৭০০।

Contact us: editor@dailyrajbarikantha.com

প্রকাশনাঃ
সম্পাদক কর্তৃক বি এস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়নবী সার্কুলার রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত এবং দক্ষিণ ভবাণীপুর, রাজবাড়ী থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল- ০১৭১১১৫৪৩৯৬,
বার্তা বিভাগ- ০১৭৫২০৪০৭২০,
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯৭১১৫৪৩৯৬

error: Sorry buddy! You can\'t copy our content :) Content is protected !!