• মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৭:৪১ অপরাহ্ন

গোয়ালন্দের পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার

প্রতিবেদকঃ / ১১ পোস্ট সময়
সর্বশেষ আপডেট বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীতে অবৈধ ভাবে ভাসমান ভেসাল ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার করছে জেলেরা। এতে নদীতে থাকা ছোট বড় মাছ,জলজ প্রানী আটকা পড়ে ধবংস হচ্ছে। অথচ এই অবৈধ কাজ বন্ধ করার জন্য উপজেলা মৎস্য বিভাগের তেমন কোনো কার্যক্রম নেই।
বিশাল বাঁশের তৈরী ত্রির্ভূজ আকৃতির সঙ্গে চিকন সুতা দিয়ে বাঁশের তিন পাশে টাইট করে বান দেওয়া রয়েছে। বাঁশের মাঝ খানে কট চিকন সুতার জাল দিয়ে বড় একটি পকেট করা রয়েছে। নদীতে ¯স্রোতের সাথে সাথে ভাটিয়ে যাচ্ছে মাঝে মাঝে বাঁশ ধরে ৫ জন জেলেএকই সাথে চাপ দিয়ে মাছ সহ জলজ প্রাণী উঠিয়ে নৌকার মধ্যে ফেলছে নৌকা থেকে মাছ তুলে নিলেও জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে নৌকার মধ্যেই।সারা বছর ধরে নদীতে এই ভাসমান ভেসাল ও কারেন্ট জাল দিয়ে অবাধে মাছও জলজ প্রাণী শিকার করে যাচ্ছে।
সরেজমিনে দৌলতদিয়া ও দেবগ্রাম এবং কন্নেশনায় গিয়ে দেখা যায় যে, পদ্মার বুকে বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য ত্রির্ভূজ আকারে ভেসাল বাঁশের সাথে বেঁধে নদী দিয়ে ঠেলে চলে যাচ্ছে তাতে প্রচুর পরিমান মাছসহ জলজ প্রাণী ধরা পড়ছে।এদিকে আবার দেখা যায় নদীতে অনেক কারেন্ট জাল ফেলে স্্েরাতে ভাটিয়ে যাচ্ছে তাতে নদীতে নৌ যান চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে। সাধারনত এই ভেসাল ও কারেন্ট জাল নৌকার উপর দাঁড়িয়ে ব্যবহার করার কারনে এর নাম হয়েছে ভাসমান ভেসাল এবং কারেন্ট জাল নৌকায় দাঁড়িয়ে বা বসে উঠানো বা নদীতে ফেলা যায়। নদীতে ভাসমান ভেসাল বা কারেন্ট জালে প্রতিদিন নিধন হচ্ছে, বড় মাছ, ছোট মাছের পোনা, জাটকা ইলিশ, মলা, ঢেলা, পুটি, ট্যাংরা, কৈ, শিং, মাগুর ও গুলসা ইত্যাদি। এছাড়াও ব্যাঙ,সাপ, কুচিয়া, কাকরা, কচ্ছপসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী কারেন্ট জালে আটকা পড়ে মারা যাচ্ছে। জেলে গফুর হোসেন বলেন, ইলিশ মাছ ধরার জন্য সাধারণত আমরা কারেন্ট জাল নদীতে ফেলে থাকি। দেখা যায় ইলিশ মাছের পাশা পাশি সব ধরনের মাচ আমাদের জালে ধরা পড়ে। আমরা ছাড়াও অনেকেই এই নদীতে কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরছে।
জেলে শহর বলেন, আমরা ৫ জন পাটনারে মিলে একটি ভাসমান একটি ভেসাল জাল তৈরী করেছি। নদীতে প্রতিদিন জাল বাইলে ১০ কেজি থেকে ৩০ কেজি পর্যন্ত সবধরনের মাছ পাচ্ছি।সব দিনেই একই রকম মাছ ধরা পড়ে না। মোটামুঠি জাল বেয়ে ৫ জনের সংসার কোন রকম চলছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারি মৎস্য কর্মকতা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, নদীতে নিয়মিত কার্যক্রম না থাকায় কিছু অবৈধ জাল নদীতে প্রবেশ করেছে। নদীতে ভেসাল জাল ,কারেন্ট জাল , চায়না দুয়াড়ি, গন মসারি জাল এগুলো অবৈধ। আমি নদীতে থাকা অবস্থায় আটটি মেবাইল কোর্ট করছি ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
খান মোহাম্মদ জহুরুল হক

সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ
রাজবাড়ী প্রেসক্লাব ভবন (নীচ তলা),
কক্ষ নং-৩, রাজবাড়ী-৭৭০০।

Contact us: editor@dailyrajbarikantha.com

প্রকাশনাঃ
সম্পাদক কর্তৃক বি এস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়নবী সার্কুলার রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত এবং দক্ষিণ ভবাণীপুর, রাজবাড়ী থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল- ০১৭১১১৫৪৩৯৬,
বার্তা বিভাগ- ০১৭৫২০৪০৭২০,
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯৭১১৫৪৩৯৬

error: Sorry buddy! You can\'t copy our content :) Content is protected !!