• বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজবাড়ীতে আদালতের নির্দেশে জমির দখল বুঝে পেলেন নাসির উদ্দিন কৃষক পরিবারের সন্তানদের অংশগ্রহণে দৌলতদিয়ায় নাইট সর্টপিস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন বালিয়াকান্দি বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ল্যাব ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পাংশায় বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ল্যাবও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান গোয়ালন্দ উপজেলা চেয়ারম্যান কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে দূরন্ত ক্রিকেট একাদশ চ্যাম্পিয়ন কালুখালীতে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত পাংশায় জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালিত বালিয়াকান্দিতে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা পাংশায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত গোয়ালন্দে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

রাজবাড়ীতে চিরায়ত বাংলা নাটক জমিদার দর্পন মঞ্চায়ন

প্রতিবেদকঃ / ১৫০ পোস্ট সময়
সর্বশেষ আপডেট শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৩


স্টাফ রিপোর্টার : সারাদেশে চিরায়ত বাংলা নাটক মঞ্চায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনায় রাজবাড়ীতে মঞ্চায়ন হয়েছে নাটক “জমিদার দর্পন”।
শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মীর মশাররফ হোসেনের রচনায়, ফকীর জাহিদুল ইসলাম রুমনের নির্দেশনায়, শিল্পকলা একাডেমি নাট্যদল, রাজবাড়ী থিয়েটার, মঙ্গলনাট, স্বদেশ নাট্যদল, গহন থিয়েটার, প্রত্যাশা থিয়েটার, রাজবাড়ী সরকারী কলেজ থিয়েটার ও শেরে বাংলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নাট্যদলের পরিবেশনায় মঞ্চায়ন হয় নাটক জমিদার দর্পন। এ সময় রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার জি.এম. আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জয়ন্তী রুপা রায়, জেলা কালচারাল অফিসার পার্থ প্রতীম দাসসহ কয়েক হাজার নাট্যপ্রেমী নাটকটি উপভোগ করেন।
নাটকটিতে প্রতিটি সংলাপেই নির্যাতন-অত্যাচার, যৌন নির্যতন ও লাম্পট্যের রূপটি প্রকাশিত হয়েছে। ভারত উপমহাদেশে বৃটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার পর এখানকার ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি আমূল পরিবর্তন আনা হয়। বৃটিশ শাসক শ্রেণি ভূমি রাজস্ব আদায়ের জন্য সরকার ও প্রজার মাঝখানে একটি মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি সৃষ্টি করে। এই শ্রেণিটির নাম জমিদার শ্রেণি। ভূমিরাজস্ব আদায়ের জন্য এদেরকে বিভিন্ন এলাকা চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেয়া হয়। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আদায়। রাজস্ব আদায়ের জন্য তারা কৃষক-প্রজাদের উপর নানান ধরনের নির্যাতন চালাতো। কারো বাড়িতে একটি গাছ কাটতে হলেও জমিদারের অনুমতি নিতে হতো। এত বুঝা যায় কৃষক-প্রজা শ্রেণি কতটুকু শৃংখলিত ছিল। বস্তুত জমিদাররা তাদের জমিদারী এ স্টেটকে নিজস্ব সম্পত্তি মনে করতো। অপরদিকে অনেক জমিদারও জমিদার সন্তানরা ছিলেন লম্পট। প্রজাদের সুন্দরী যুবতীদেরকে ধরে এনে তাদের যৌন লালসা চরিতার্থ করতো। কোনো যুবতী তাদের প্রস্তাবে রাজী না হলে তার উপর চালানো হতো নির্যাতন। কার্যত জমিদার বা জমিদার সন্তানদের যৌন ক্ষুধা মিটানোর জন্য প্রজাদের যুবতী কন্যাদের বা স্ত্রীদের বাধ্য করা হতো। তারা নারীদেরকে পণ্য মনে করতো। তদের ধারণা করতো তাদের জমিদারীর বৃত্তে বসবাসরত নারীরা হলো তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। এটা হলো সামন্তবাদী চেতনার বহিঃপ্রকাশ। ‘জমিদার দর্পণ’ নাটকে কার্যকলাপে যে সেই সামন্ত শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ