• বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজবাড়ীতে আদালতের নির্দেশে জমির দখল বুঝে পেলেন নাসির উদ্দিন কৃষক পরিবারের সন্তানদের অংশগ্রহণে দৌলতদিয়ায় নাইট সর্টপিস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন বালিয়াকান্দি বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ল্যাব ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পাংশায় বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ল্যাবও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান গোয়ালন্দ উপজেলা চেয়ারম্যান কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে দূরন্ত ক্রিকেট একাদশ চ্যাম্পিয়ন কালুখালীতে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত পাংশায় জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালিত বালিয়াকান্দিতে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা পাংশায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত গোয়ালন্দে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

রাজবাড়ী আদালতে সুন্দরবন তালুকদার বিল্ডার্স লিঃ এর ফ্লাট বিক্রয়ের নামে ৩০ লক্ষ টাকা গ্রহণ :সমন জারী

প্রতিবেদকঃ / ৪৩ পোস্ট সময়
সর্বশেষ আপডেট সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মিরপুর সেকশন-১ এর ২৫/৩১ ফেয়ার প্লাজায় (৩য় তলা) অবস্থিত সুন্দরবন তালুকদার বিল্ডার্স লিমিটেডের বনাম ব্যবহার করে ফ্লাট বিক্রয়ের নামে এক গ্রাহকের কাছ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ওই প্রতিষ্ঠানের কথিত বস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ঝিনুকের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে অভিযুক্ত আসামীকে হাজির হওয়ারন জন্য সমন জারীর আদেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত ঝিনুক বাগেরহাট জেলার শরণখোলা থানার গোলবুনিয়া গ্রামের আবুল খায়ের তালুকদারের স্ত্রী ও বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার হস্তিশন্ড গ্রামের মৃত কাশেম তালুকদারের মেয়ে। সোমবার রাজবাড়ীর ১ নং আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সুমন হোসেন এ আদেশ দেন।
এ মামলাটি দায়ের করেছেন রাজবাড়ী সদরের শ্রীপুর এলাকার মোহাঃ শফিউদ্দীনের ছেলে আঃ মতিন সিদ্দিক।
মামলা সুত্রে জানাগেছে, বাদী আঃ মতিন সিদ্দিকের বসত বাড়ী রাজবাড়ী শহরের শ্রীপুর এলাকায়। ঝিনুকের এক নিকট আত্নীয়ের সাথে পরিচয়ের সূত্র ধরে পরিচয় ও জানাশোনা হয়। পূর্ব পরিচয়, জানাশোনা ও কথাবার্তার এক পর্যায়ে ঢাকা শহরের মধ্যে এক খন্ড জমি, একটি ফ্লাট কেনার ইচ্ছা পোষণ করেন। এসময় ঝিনুক নিজেকে হাউজিং ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়ে তার মিরপুর এলাকায় অবস্থিত ‘সুন্দরবন তালুকদার বিল্ডার্স লিঃ ’ এ এখনও তার অবিক্রিত ফ্লাট রয়েছে বলে প্রকাশ করেন। ফ্লাট ক্রয় বাবদ এককালীন নগদ ত্রিশ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন এবং পরে তিন মাসের মধ্যে বায়না নামা চুক্তি করে দখল বুঝে দিবেন বলে প্রকাশ করেন। কিন্তু এক মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও বায়নামা চুক্তি সম্পাদন না করায় ফ্লাটের দখল বুঝে না দেওয়ায় ফ্লাট ক্রয় বাবদ প্রদানকৃত টাকা পরিশোধের জন্য তাগাদা দিলে ঝিনুক তার নিজ নামীয় সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, মিরপুর সেকশন-১ শাখা, ঢাকার ১৩৭২২/৭১ নং হিসাব থেকে গত ২০২৩ সালের ১৮ অক্টোবর ৩০ লক্ষ টাকা উল্লেখে স্বাক্ষর করে একটি চেক প্রদান করেন। যার চেক নং- পউ/১০ নং ৫৯৫৮৩৭৬। চেকখানা গ্রহণ করে গত বছরের ২৯ অক্টোবর চেকটি নগদায়নের জন্য সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, রাজবাড়ী উপজেলা কমপ্লেক্স শাখায় নিজ নামীয় ২২১২৯০১০০৮৪৮২ নং হিসাবে জমা প্রদান করেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি কালেকশনের জন্য সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, মিরপুর সেকশন-১ শাখা, ঢাকা বরাবর প্রেরণ করলে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, মিরপুর সেকশন-১ শাখা, ঢাকা কর্তৃপক্ষ গত বছরের ৭ নভেম্বর হিসাবটি বন্ধ উল্লেখ চেকটি ডিজঅনার পূর্বক একটি ডিজঅনার স্লিপ সহ সোনালী ব্যাংক লিঃ, রাজবাড়ী সদর উপজেলা কমপ্লেক্স শাখা বরাবর মূল চেকখানি ফেরত প্রদান করেন । সোনালী ব্যাংক লিঃ, রাজবাড়ী সদর উপজেলা কমপ্লেক্স শাখা কর্তৃপক্ষ গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর হিসাবটি বন্ধ উল্লেখ করে পৃথক একখানি ডিজঅনার স্লিপ প্রদান করেন। পরে আঃ মতিন সিদ্দিক গত ২ জানুয়ারী রাজবাড়ী জেলা বার এসোসিয়েশনের এ্যাডভোকেট খান মোহাম্মদ জহুরুল হকের মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ এডি সহ রেজিঃ ডাকযোগের মাধ্যমে ঝিনুকের পৈত্রিক, স্বামী-শ^শুরালয়ের ঠিকানা ও ঢাকায় অবস্থানরত বর্তমান ঠিকানা ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সুন্দরবন তালুকদার বিল্ডার্স লিঃ, ২৫/৩১ ফেয়ার প্লাজা (৩য় তলা), মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬ বরাবর প্রেরণ করেন। প্রেরিত লিগ্যাল নোটিশ সম্বলিত খামগুলো যথাক্রমে গত ৮ জানুয়ারী, গত ৪ জানুয়ারী এবং গত ৭ জানুয়ারী ফেরত আসে। ফেরত পাঠানো ডাক কর্মচারীর গত ৮ জানুয়ারীর স্বাক্ষর সম্বলিত খামের গায়ে “প্রাপক বর্তমানে ঢাকায়, ফোনে কথা হয়েছে : প্রাপক প্রেরককে না চেনায় চিঠি ফেরৎ পাঠাতে বলেছেন” উল্লেখ করা হয়। পরে গত ২ ফেব্রুয়ারী দু’টি পত্রিকায় লিগ্যাল নোটিশ বিজ্ঞাপন আকারে প্রচার ও প্রকাশ করেন।
রাজবাড়ী জেলা বার এসোসিয়েশনের এ্যাডভোকেট খান মোহাম্মদ জহুরুল হক বলেন, সোমবার মামলাটি দায়ের করলে বিচারক আসামীর প্রতি সমন জারী করার নির্দেশ প্রদান করেন।
এদিকে মামলার বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে কথিত এমডি ঝিনুক বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। সব জানে আমার স্বামী আবুল খায়ের তালুকদার।
পরবর্তীতে খায়ের তালুকদারের মোবাইল ফোনে কল করলে প্রথমে তিনি মিটিং এ ব্যস্ত থাকার কথা বলেন এবং পরবর্তীতে ফোন করে এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার স্ত্রী সুন্দরবন তালুকদার বিল্ডার্স এর কোন দায়িত্বে নেই। এই প্রতিষ্ঠানের এমডি আমার বড় ভাই ফিরোজ তালুকদার।
তিনি আরও জানান, তার স্ত্রী ইতোপূর্বে সুন্দরবন ডেভোলপমেন্ট এর এমডি ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি কয়েক বছর আগেই বন্ধ হয়ে গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ